Thursday, November 18, 2021

আদরের সন্তান /ওমর ফারুক

 


আদরের সন্তান

ওমর ফারুক

জন্ম তার 29 জানুয়ারী কনকনে শীতে ,
 অভাবের সংসারে এসে ছিল এই ভূবনে ।
 সাত মাসে জন্ম তোমার হাসপাতালের বেডে ,
 অক্সিজেন লাগানো ছিল তোমার মুখ নাকে !

রোগ ব্যাধিতে ভরা ছিল তোমার দেহ খানি ,
ডাক্তার ঢেকে ঔষুধ নিয়ে চলে টানাটানি !
অন্ন অভাব, বস্ত্র অভাব , ছেডা কাথা সম্বল ,
টাকা ছাডা মেয়ে বাচানো হয়েছে অসম্বব !

সাত মাসের সন্তান তুমি বেচে থাকা দায় ,
সবাই ভাবে এখন কি করি হায় হায় !
তখন তার এক ডাক্তার ভাই ছিল ,
র্ম্পকে আংকেল হবে ।
হ্নদয় তার মায়া ভরা ,
 বিবেগ কেঁদে ওঠে ।

তাহার কাছে রাখতো তোমায় -
অতি যন্তন করে ,
মা করতো র্গামেন্ট চাকরী ,
বাবা থাক তো বাহিরে !

হঠ্যাৎ এক দিন পিতা তোমায় -
 ছেডে চলে যায় ,
মা কি করবে চিন্তা মরে ,
করে করে হায় ।
মেয়ে নিয়ে এখন যে বেঁচে থাকা দায় !
কষ্ট কেষ্ঠ মেলে , ধয্য মিলে ফল ।
মেয়ে তার একমাত্র সম্বল ।

হঠ্যাৎ এক দিন পিতা -
আবার ফিরে আসে ,
রক্তের টান কেউ কি -
ভূলে থাকতে পারে ?

তা
রপর দুই জন মিলে-
 যত্ন নেয় তোমার ,
সুখের দিন কাটে কিছু ,
রোগ ব্যাধী তোমার পিছু ।

তার কিছু দিন পর-
 ডাক্তার ভাই ঢাকা চলে যায় ,
তোমাকে এখন কোথায় রাখী ভাই ,
দুজন মিলে সিদান্ত হয় ,
নানীর কাছে থাকবে কি সের ভয় !

এই ভাবে কিছু কাল কেটে রয় ।
অতি আদরের মায়াবতী ,
 ধন্য ধন্য বাঁচিয়া থাক যদি ।
 চরম বিশ্বাসী লজ্জা অতি ভরা,
 শত আশা পিতা মাতার ,
 মুখটা মন মরা !

 তাহার আর সন্তান নাই, 
তুমি বডই একা ।
 যিনি দিয়েছিলেন ,
তিনি নিয়ে গেলেন ,
 শুধু রেখে গেলেন তোমায় ।

বিশ্বাস করে তার হাতে -
 দিতো সংসারের ভার ,
, অবহেলা ফাকি বাজে ,
 দিন করিয়াছে পার ।

 ছোট কালে চার দিকে -
 ছিল কত সুনাম ,
এক ছেলের জন্য -
কেন আজ তার এত কুনাম ?
যে মেয়ে কখনো মিথ্যা বল তো না ,
নাহি ধর তো ধার ,
 তবে সেই কেন মিথ্যার দাবি ধার !
 মেয়েটা ছিল সত্তম শ্রেনীর ছাত্রী !

 লেখাপডা অষ্ঠ লম্বা  ,
প্রেমের বেলায় পাকাপাক্কা ।
 সেই ছেলে আর কেউ নয় ,
   পরিচিত হবে ।
 একদিন তারা দুই জন ,
হাতে নাতে ধরা পডে।

 মায়ের টাকা চুরি করে ,
দিল জামা কাপড র্শাট,
প্রেমের পরীক্ষা ফেল না আর ছাড় ।

 ছেলের বাবা রাজী হলেও , 
মেয়ের বাবা রাজী নয় ।
মেয়ে ভূলানোর জন্য কত কথা কয় !

 কেড়ে নিল মোবাইল তার , 
ভেঙ্গে গেল আশা ।
 মনের ভিতর লুকিয়ে রাখে-
  সকল ভালবাসা ।

 তাহার এক মামা ছিল ,
 থাকতো তাদের কাছে ,
 দেখতে বোকা হলেও -
বুদ্ধির দাবি রাখে ।

তার কাছে জানতে চাইলো -
দিবো নাকি ফোন?
সেই বলে বিপদ আসিতে কত ক্ষন !

 যা ভেবে ছিলাম তাই হলো ,
তাহার কথা না মানিয়া মোবাইল দিল ।
 পেয়ে গেল কর্মের ফল !

 এইবার সেই অন্য কায়দায় ,
করিয়াছে অবলম্বল ।
 এক দিন ছেলে তারে -
দিয়েছিল এক সিম ,
মনের ভিতর করতেছে রিমঝিম ।
 ঐ সিম দিয়ে কথা বলে ,
 আমরা আসলে লুকিয়ে রাখে ।

 ভূলে থাকার ভান ধরে ,
পরিবারের সবার সাথে ফান করে ।
 মাদরাসে তে নিয়ে যেত ঐ মোবাইল ফোন ,
ইচ্ছা মতো কথা বলতো যখন তখন ।

 মামাকে বন্ধু বানায় মা কে বান্ধবী ,
 আমরা তো বুঝতে পারি নাই !
তাহার  ফাইজলামী!

 সবার কথা শেয়ার করতো ,
নিজেরটা বাদ দিয়ে ,
 হঠ্যাৎ একদিন হারিয়ে গেল ফোন ,
 হায় হায় কি হবে কি হবে এখন ।

করলো বুদ্ধি খুজলো উপায়
 ভূলে থাকার ভান ধরে ,
মায়ের জমানো টাকা চুরি করে ,
 কিনে নিল ফোন ,
 প্রেম মানে না শাসন ভারন ।

 তলে তলে সবী চলে ,
 কিছূ বললে গা জ্বলে ।
 ধরা খেতে কত ক্ষন ।

 আবার ধরা খেল ,
 ঘর থেকে বাহির করে দিল ।
 মা কান্দে বাবা কান্দে -
     করে হায়রে হায় ,
 এখন আমরা কোথায় যাই ।

 নিজের সিধান্তের ভিতর ,
 ছেড়ে দিল তারে ,
 পছন্দের মানুষ যৌতুক ছাড়া ,
কি বিয়ে করে  ।
এখন শুধু অনুসূচনা মরে !

 মাদরাসা খারাপ নয় ,
 নয়তো কোন স্কুল কলেজ সেল ফোন ।
শির্ক্ষাথীদের হাতে -
কিনে দিয়ো না মোবাইল ফোন ।
 বার বার অভিবাবকদের ,
আমি করি যাই মানা ,
 আমার কথা না মানিলে ,
পস্তাবে ষৌল আনা ।
শেয়ার করুন

0 coment rios: