আদরের সন্তান
ওমর ফারুক
জন্ম তার 29 জানুয়ারী কনকনে শীতে ,অভাবের সংসারে এসে ছিল এই ভূবনে ।
সাত মাসে জন্ম তোমার হাসপাতালের বেডে ,
অক্সিজেন লাগানো ছিল তোমার মুখ নাকে !
রোগ ব্যাধিতে ভরা ছিল তোমার দেহ খানি ,
ডাক্তার ঢেকে ঔষুধ নিয়ে চলে টানাটানি !
অন্ন অভাব, বস্ত্র অভাব , ছেডা কাথা সম্বল ,
টাকা ছাডা মেয়ে বাচানো হয়েছে অসম্বব !
সাত মাসের সন্তান তুমি বেচে থাকা দায় ,
সবাই ভাবে এখন কি করি হায় হায় !
তখন তার এক ডাক্তার ভাই ছিল ,
সর্ম্পকে আংকেল হবে ।
হ্নদয় তার মায়া ভরা ,
বিবেগ কেঁদে ওঠে ।
তাহার কাছে রাখতো তোমায় -
অতি যন্তন করে ,
মা করতো র্গামেন্ট চাকরী ,
বাবা থাক তো বাহিরে !
মা করতো র্গামেন্ট চাকরী ,
বাবা থাক তো বাহিরে !
হঠ্যাৎ এক দিন পিতা তোমায় -
ছেডে চলে যায় ,
মা কি করবে চিন্তা মরে ,
করে করে হায় ।
মেয়ে নিয়ে এখন যে বেঁচে থাকা দায় !
মা কি করবে চিন্তা মরে ,
করে করে হায় ।
মেয়ে নিয়ে এখন যে বেঁচে থাকা দায় !
কষ্ট কেষ্ঠ মেলে , ধয্য মিলে ফল ।
মেয়ে তার একমাত্র সম্বল ।
মেয়ে তার একমাত্র সম্বল ।
হঠ্যাৎ এক দিন পিতা -
আবার ফিরে আসে ,
রক্তের টান কেউ কি -
রক্তের টান কেউ কি -
ভূলে থাকতে পারে ?
তারপর দুই জন মিলে-
যত্ন নেয় তোমার ,
সুখের দিন কাটে কিছু ,
রোগ ব্যাধী তোমার পিছু ।
সুখের দিন কাটে কিছু ,
রোগ ব্যাধী তোমার পিছু ।
তার কিছু দিন পর-
ডাক্তার ভাই ঢাকা চলে যায় ,
তোমাকে এখন কোথায় রাখী ভাই ,
দুজন মিলে সিদান্ত হয় ,
নানীর কাছে থাকবে কি সের ভয় !
তোমাকে এখন কোথায় রাখী ভাই ,
দুজন মিলে সিদান্ত হয় ,
নানীর কাছে থাকবে কি সের ভয় !
এই ভাবে কিছু কাল কেটে রয় ।
অতি আদরের মায়াবতী ,
ধন্য ধন্য বাঁচিয়া থাক যদি ।
চরম বিশ্বাসী লজ্জা অতি ভরা,
শত আশা পিতা মাতার ,
মুখটা মন মরা !
তাহার আর সন্তান নাই,
তুমি বডই একা ।
যিনি দিয়েছিলেন ,
যিনি দিয়েছিলেন ,
তিনি নিয়ে গেলেন ,
শুধু রেখে গেলেন তোমায় ।
শুধু রেখে গেলেন তোমায় ।
দিতো সংসারের ভার ,
, অবহেলা ফাকি বাজে ,
, অবহেলা ফাকি বাজে ,
দিন করিয়াছে পার ।
ছোট কালে চার দিকে -
ছিল কত সুনাম ,
এক ছেলের জন্য -
এক ছেলের জন্য -
কেন আজ তার এত কুনাম ?
যে মেয়ে কখনো মিথ্যা বল তো না ,
যে মেয়ে কখনো মিথ্যা বল তো না ,
নাহি ধর তো ধার ,
তবে সেই কেন মিথ্যার দাবি ধার !
মেয়েটা ছিল সত্তম শ্রেনীর ছাত্রী !
তবে সেই কেন মিথ্যার দাবি ধার !
মেয়েটা ছিল সত্তম শ্রেনীর ছাত্রী !
লেখাপডা অষ্ঠ লম্বা ,
প্রেমের বেলায় পাকাপাক্কা ।
সেই ছেলে আর কেউ নয় ,
সেই ছেলে আর কেউ নয় ,
পরিচিত হবে ।
একদিন তারা দুই জন ,
একদিন তারা দুই জন ,
হাতে নাতে ধরা পডে।
মায়ের টাকা চুরি করে ,
দিল জামা কাপড র্শাট,
প্রেমের পরীক্ষা ফেল না আর ছাড় ।
প্রেমের পরীক্ষা ফেল না আর ছাড় ।
ছেলের বাবা রাজী হলেও ,
মেয়ের বাবা রাজী নয় ।
মেয়ে ভূলানোর জন্য কত কথা কয় !
মেয়ে ভূলানোর জন্য কত কথা কয় !
কেড়ে নিল মোবাইল তার ,
ভেঙ্গে গেল আশা ।
মনের ভিতর লুকিয়ে রাখে-
মনের ভিতর লুকিয়ে রাখে-
সকল ভালবাসা ।
তাহার এক মামা ছিল ,
থাকতো তাদের কাছে ,
দেখতে বোকা হলেও -
দেখতে বোকা হলেও -
বুদ্ধির দাবি রাখে ।
তার কাছে জানতে চাইলো -
দিবো নাকি ফোন?
সেই বলে বিপদ আসিতে কত ক্ষন !
সেই বলে বিপদ আসিতে কত ক্ষন !
যা ভেবে ছিলাম তাই হলো ,
তাহার কথা না মানিয়া মোবাইল দিল ।
পেয়ে গেল কর্মের ফল !
এইবার সেই অন্য কায়দায় ,
করিয়াছে অবলম্বল ।
এক দিন ছেলে তারে -
এক দিন ছেলে তারে -
দিয়েছিল এক সিম ,
মনের ভিতর করতেছে রিমঝিম ।
ঐ সিম দিয়ে কথা বলে ,
আমরা আসলে লুকিয়ে রাখে ।
মনের ভিতর করতেছে রিমঝিম ।
ঐ সিম দিয়ে কথা বলে ,
আমরা আসলে লুকিয়ে রাখে ।
ভূলে থাকার ভান ধরে ,
পরিবারের সবার সাথে ফান করে ।
মাদরাসে তে নিয়ে যেত ঐ মোবাইল ফোন ,
ইচ্ছা মতো কথা বলতো যখন তখন ।
মামাকে বন্ধু বানায় মা কে বান্ধবী ,
আমরা তো বুঝতে পারি নাই !
তাহার ফাইজলামী!
সবার কথা শেয়ার করতো ,
নিজেরটা বাদ দিয়ে ,
হঠ্যাৎ একদিন হারিয়ে গেল ফোন ,
হায় হায় কি হবে কি হবে এখন ।
হঠ্যাৎ একদিন হারিয়ে গেল ফোন ,
হায় হায় কি হবে কি হবে এখন ।
করলো বুদ্ধি খুজলো উপায়
ভূলে থাকার ভান ধরে ,
মায়ের জমানো টাকা চুরি করে ,
কিনে নিল ফোন ,
প্রেম মানে না শাসন ভারন ।
তলে তলে সবী চলে ,
কিছূ বললে গা জ্বলে ।
ধরা খেতে কত ক্ষন ।
আবার ধরা খেল ,
ঘর থেকে বাহির করে দিল ।
মা কান্দে বাবা কান্দে -
করে হায়রে হায় ,
এখন আমরা কোথায় যাই ।
এখন আমরা কোথায় যাই ।
নিজের সিধান্তের ভিতর ,
ছেড়ে দিল তারে ,
পছন্দের মানুষ যৌতুক ছাড়া ,
পছন্দের মানুষ যৌতুক ছাড়া ,
কি বিয়ে করে ।
এখন শুধু অনুসূচনা মরে !
মাদরাসা খারাপ নয় ,
নয়তো কোন স্কুল কলেজ সেল ফোন ।
শির্ক্ষাথীদের হাতে -
কিনে দিয়ো না মোবাইল ফোন ।
বার বার অভিবাবকদের ,
বার বার অভিবাবকদের ,
আমি করি যাই মানা ,
আমার কথা না মানিলে ,
আমার কথা না মানিলে ,
পস্তাবে ষৌল আনা ।
0 coment rios: